' কবিতা করিডোর ' উত্তরবঙ্গের প্রথম মাসিক ওয়েবজিন । এই ব্লগ নতুন সৃষ্টি নিয়ে ভাবে । কবিতা নয় সাহিত্যের নানা দিক ও চিত্রকলা থেকে চলচ্চিত্র সবেতেই এই ব্লগ নতুন ভাবনার পথিক ।
Sunday, February 2, 2020
অন্য শিহরণ
ছবি ধর
নদীর যেমন ভাঙন আমার তেমন দহন --
নদীর ওপারে ফেলে আশা জমিন মাটির দালান
আজও গোলাপী স্বপ্নে হাতছানি দেয়
পুনর্বাসনের l
বালুচরে বিস্তৃত ধুঁ ধুঁ কাশবন মাথা দুলিয়ে ডাকে l
ঘাস আর হোগলার ফাঁকে ফাঁকে গুটিকয় পরিযায়ী ইয়োলো ব্রেস্টেড বান্টিং দানা খোঁজে আপন মনে l
আজ বিলুপ্তের পথে বেশ কিছু পরিযায়ী প্রজাতিও l
দূর দূরান্ত থেকে সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে আসা যেনো বৃথা উড়ান l
গাঙচষা পাখির উড়তে উড়তে মাছ শিকারের ফন্দী --
রঙিন ডানার মোশনে দোসরকে প্রেম নিবেদন --
মানিকজোড়ের ঠোঁটে ঠোঁট ছুঁইয়ে রোদে গা শুকনোর দৃশ্যও আজ দুর্লভ l
ওদের আস্তানার জঙ্গল কেটে - পুড়িয়ে চাষাবাদের জমি করেছি আমরাই l
ওদের স্নানের জলে , মাছ ধরার বিলে মাটি ভরেছি আমরাই l
পাখিশুমারিতে মিলেছে টাইটান এর জীবাশ্ম --
ওদের হারিয়েছি আমরাই l
একটা সময় ছিল চঞ্চল দিন বিস্তর কথোপকথন ,
ঢেউয়ে ঢেউয়ে গড়ে তোলা সে এক অমোঘ শিহরণ l
ধোঁকা
নৈরিৎ ইমু
একটা পাখির সাথে দেখা হয়
নবজন্মের গান গেয়ে ওড়তেছে সে
আমরা আকাশ বলি যাকে, সেইখানে
আমরা মৃত্তিকার ছায়া
পাখিটির ডানার ভাষা পড়ি
মূর্খ মুখভঙ্গিতে
বুঝি না আদতে কিছু
চাঁদের শরীরে ফেলি বীর্য
কোথাও নারী নাই, নাই কোন মদ
পশুর লোমের মতো গজিয়েছে ঘাস, আমাদের শরীরে
এখানে নিড়ানি রাখা যায়
আঁচড় ফুটিয়ে তোলা ক্ষুধার আলপনা যেনো
হাড়ের ভেতর থেকে আদিমতা জাগে
জেগেছে যেমন পাহাড়
উঁচু নিচু পাথরের স্তুপ, গুহাবাসী নকশা আঁকা
একটা পশুর মাথা, একটা মানুষের দেহে
অনেকগুলো তারা, রান্না হচ্ছে হাড়িতে
জলজ মৎসচোখ দুটো পাতার আদলে
আমাদের সন্তানেরা হিস্টিরিয়া রোগী
কচলে লেবুপাতা তাদের নাকে ধরা লাগে
ফলে তারা ফিরে আসে, না এলেও পারে
পুরনো বাকলের মতো তারা মা-বৃক্ষ থেকে উঠে আসে
এখানে কোন নারী নাই, নাই কোন মদ
আমাদের পিপাসাও মরিচিকার মতো ধোঁকা।
একটা পাখির সাথে দেখা হয়
আমাদের আদিপিতা, নবজন্মের গান গায়
আমরা দু-চোখ বুজে সেই সুরে ঘুমাবার চাই।
ডায়েরি
নীলাদ্রি দেব
শ্বাস কমে আসে
শ্বাস কমে আসছে শাসকের বিষে
পতাকা ও শিবিরের নিচে আহত অনেকে
পোশাক নিয়ে মাতামাতি করতে করতে
ভুলে আছি
পোশাকের পর
আলখাল্লা ও মুখোশের পর
আমরা সবাই মানুষ
যে যে পথে মানুষের মাথা
তার দিকে চোখ তুলে আছে হল্লা রাজার সেনা
জলকামানের মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসছে
তরল গণতন্ত্র
চৌপথিগুলোকে চৌপথি ভেবো না আর
কত কত গলি এসে মেশে
কুয়াশা জমে উঠছে শীতের প্রতিটি রাতে
মুখ নয়, জার্সি নয়, ব্যালট নয়
মানুষ বেরিয়ে আসছে
নিজস্ব শ্বাসের দাবিতে
নীলাদ্রি দেব
শ্বাস কমে আসে
শ্বাস কমে আসছে শাসকের বিষে
পতাকা ও শিবিরের নিচে আহত অনেকে
পোশাক নিয়ে মাতামাতি করতে করতে
ভুলে আছি
পোশাকের পর
আলখাল্লা ও মুখোশের পর
আমরা সবাই মানুষ
যে যে পথে মানুষের মাথা
তার দিকে চোখ তুলে আছে হল্লা রাজার সেনা
জলকামানের মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসছে
তরল গণতন্ত্র
চৌপথিগুলোকে চৌপথি ভেবো না আর
কত কত গলি এসে মেশে
কুয়াশা জমে উঠছে শীতের প্রতিটি রাতে
মুখ নয়, জার্সি নয়, ব্যালট নয়
মানুষ বেরিয়ে আসছে
নিজস্ব শ্বাসের দাবিতে
Subscribe to:
Posts (Atom)
-
টংঘরে রাজা প্রথম মনীন্দ্র গুপ্ত রমিত দে ...” জন্ম থেকে এই জগৎকে পাঁচ ইন্দ্রিয় দিয়ে অনুভব করেছি, আর তাঁর বিচিত্র অর্থ মনের মধ্যে উঁক...
-
জ্যো তি র্ম য় মু খো পা ধ্যা য় আচ্ছা, তোমার কবিতা এত বিক্রি হয় কী করে ! এত বই ! কে কেনে ? কে পড়ে ? এত ! এত ! আমার খুব জানতে ...
-
সব্যসাচী হাজরার গুচ্ছ কবিতা মোমেনশাহী ১। একটা মোমলাইন ঢালা হোলো মোমকাশের ফিরে দ্যাখা মোমেনশাহী আমাদের ঘরবাড়ি এই আকুলআলোর কোলসকল ও ব্যস্তল...








